আজ: রবিবার ১০ই চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২৪শে মার্চ ২০১৯ ইং, ১৫ই রজব ১৪৪০ হিজরী

ঠাকুরগাঁওয়ে নারীদরে সাইকলে র‌্যালি

শনিবার, ০৯/০৩/২০১৯ @ ৫:৪৭ অপরাহ্ণ । জনপদের খবর

মজবির রহমান শখে, ঠাকুরগাঁও জলো প্রতনিধি: আন্তর্জাতকি নারী দবিস। এই দবিসকে ঘরিে ভন্নি আয়োজনে করছেনে ঠাকুরগাঁও মানবকল্যাণ পরষিদ। এ উপলক্ষ্যে ৮ র্মাচ শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও অডটিোরয়িাম চত্বর থকেে বলেুন উড়য়িে এই নারী দবিসরে উদ্বোধন করনে, ঠাকুরগাঁও জলো প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সলেমি। পরে ময়েদেরে একটি সাইকলে র‌্যালি বরে করা হয়। র‌্যালটিি শহররে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষণি করে আবারো আগরে স্থানে গয়িে শষে হয়। উক্ত র‌্যালতিে শক্ষিাথীদরে সাথে উপস্থতি ছলিনে, ঠাকুরগাঁও জলো প্রশাসক,পুলশি সুপার মনরিুজ্জামান, জলোর ৯টি স্কুলরে শক্ষর্িাথীরা সহ বভিন্নি স্থররে মানুষ। র‌্যালি শষেে এক আলোচনা সভায় অনুষ্ঠতি হয়। ঠাকুরগাঁও মানবকল্যাণ পরষিদরে সভাপতি বউিটি বশ্বিাসরে সভাপতত্বিে এসময় বক্তব্য দনে, উপজলো ভাইস চয়োরম্যান ফরুতুন নাহার,অতরিক্তি জলো প্রশাসক শীলাব্রত র্কমকার, র্কোট ইন্সপক্টের রওশন আরা প্রমুখ।
ঠাকুরগাঁওয়রে রনতিা নারী শ্রমকিদরে মজুরি আদায়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেনে
মজবির রহমান শখে, ঠাকুরগাঁও জলো প্রতনিধি:ি ঠাকুরগাঁও জলোর নারী শ্রমকিদরে মজুরি আদায়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেে রনতিা রাণী। প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রচলতি নয়িম ভঙেে নজিদেরে অধকিার আদায়ে গণজাগরণ সৃষ্টি করছেনে। সংগ্রামরে মধ্য দয়িে নারী শ্রমরে বষৈম্য দূর করতে সক্ষম হয়ছেনে, এনছেনে সমতা। যা আগামীতে নারী অধকিার আদায়ে অনুপ্ররেণা হসিবেে কাজ করব।ে উত্তররে জলো ঠাকুরগাঁও জলোর বালয়িাডাঙ্গী উপজলো সীমান্তঘঁেষা পরদশেীপাড়ার রনতিা রাণীর সংগ্রামরে গল্পটা একটু ভন্নি। এই গ্রামে হন্দিু, মুসলমি ও খ্রস্টিান র্ধমরে কয়কে হাজার মানুষরে বসবাস। বশেরি ভাগ মানুষ দরদ্র্যিসীমার নচিে বসবাস কর।ে জীবন ও জীবকিার জন্য নারী-পুরুষ উভয়কে মাঠে মজুররে কাজ করতে হয়। তাদরে মধ্যে রনতিাও একজন কৃষি শ্রমকি। কৃষি জমতিে শ্রমকিরে কাজ করে সংসার চলে তার। রনতিা রাণী জানান, প্রচলতি নয়িম অনুযায়ী পুরুষরা সারাদনি কাজ করে মজুরি পায় ৪০০ টাকা, সখোনে নারীরা একই কাজ করে দনি শষেে মজুরি পায় ১০০ টাকা। এখানে যে নারী-পুরুষরে শ্রম মজুররি বড় বষৈম্যটি মনে দাগ কাটে তার। সমান পরশ্রিম করে নারীরা কনে চার ভাগরে একভাগ মজুরি পাব?ে এ জন্য তনিি এলাকার অন্যান্য নারী শ্রমকিদরে একত্রতি করে শ্রম মজুররি বষৈম্যরে বষিয়টি বুঝাতে সক্ষম হন। সদ্ধিান্ত ননে এলাকার কােনো নারী শ্রমকি আর কম মজুরতিে কাজ করবে না। একর্পযায়ে মজুরি বৃদ্ধরি দাবতিে নারী শ্রমকিরা কাজ বন্ধ করে দনে এবং যারা কাজ করান তাদরে বষিয়টি বুঝয়িে বলনে। কন্তিু মালকিদরে বষিয়টইি আলাদা, বুঝয়িে বলার পরও তারা কখনোই শ্রমকিদরে কষ্ট বুঝতে চষ্টো করে না। শ্রমকিদরে কােনো কথা যনে তাদরে কানে যায় না। রনতিা আরাে বলনে, একর্পযায়ে ক্ষতেে কাজ বন্ধ হয়ে গলেে মালকিরা পাশ্বর্বতী গ্রামরে নারী শ্রমকি দয়িে ক্ষতেরে কাজ করাতে শুরু করনে। কন্তিু দূররে গ্রামরে নারী শ্রমকিগণ সময়মতো কাজে উপস্থতি হতে না পারায় কাজরে ক্ষতি হয়। রনতিা ও অন্যান্য নারী শ্রমকিরা দূরগ্রামরে নারী শ্রমকিদরে মজুরি বষৈম্যরে বষিয়টি বুঝাতে সক্ষম হলে অবশষেে দূররে গ্রামরে শ্রমকিরাও কাজ বন্ধ করে দনে। নারী শ্রমকিদরে আন্দােলনে এলাকায় কৃষকিাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় অবশষেে জমরি মালকিগণ নারী শ্রমকিদরে মজুরি বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়। পরদশেীপাড়ার ভবশে চন্দ্র সংিহ নামে একজন জমরি মালকি বলনে, নারী শ্রমকিদরে মজুরি তাে সরকার থকেে নর্ধিারণ করে দওেয়া হয়ন।ি তাই অনকে আগে থকেে প্রচলতি নয়িম অনুযায়ী নারীদরে কম টাকা দয়িে আসছলি তনি।ি কন্তিু হঠাৎ করে পরদশেপিাড়া সহ অন্যান্য গ্রামরে নারী শ্রমকিরাও পুরুষ শ্রমকিদরে সমান মজুররি দাবতিে কাজ বন্ধ করে দয়ে। অনকেটা বাধ্য হয়ইে তনিি এখন নারী শ্রমকিদরে দনিমজুরি পুরুষ শ্রমকিদরে সমান দচ্ছিনে। একই গ্রামরে আরকে জমরি মালকি আনােয়ার ইসলাম বলনে, রনতিা গ্রামরে সকল নারীকে একত্রতি করে তাদরে জম্মিি করে ফলেছেলি। যহেতেু ক্ষতেে শুধু পুরুষ শ্রমকিদরে তুলনায় নারী শ্রমকিরা সামান্য হলওে বশেি কাজ কর।ে তাই তনিি নজিইে রনতিার দাবরি সাথে একমত হয়ে সমান মজুরি দওেয়া শুরু করছেনে। চাড়ােল গ্রামরে আরকে জমরি মালকি আব্দুল জললি সুফি জানান, প্রথমে রনতিা তার মজুরি বৃদ্ধরি জন্য একাধকিবার জমরি মালকিদরে সাথে কথা বলনে। কন্তিু তার কথায় জমরি মালকিরা কউে সাড়া না দওেয়ায় সে গ্রামরে অন্যান্য নারী শ্রমকিদরে কানভারি কর।ে একর্পযায়ে সব নারী শ্রমকিরা কাজ বন্ধ করে দলিে গ্রামে কৃষকিাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। ক্ষতেে ফসলরে ক্ষতি হয়। তাই সবদকি ববিচেনা করে তনিি নারী শ্রমকিদরে মজুরি বৃদ্ধি করছেনে। নারী শ্রমকি মালাবতী জানান, পুরুষ শ্রমকিরা কাজ করার সময় সারা দনিে কয়কেবার ধূমপান ও বভিন্নি অযুহাত দখেয়িে কাজ ফাঁকি দয়ে। কন্তিু নারী শ্রমকিরা কখনােই কাজ ফাঁকি দনে না। তাহলে নারীরা কনে কাজ শষেে টাকা কম পাব।ে পরদশেপিাড়ায় মানুষরে অধকিার আদায়,ে সুশাসন প্রতষ্ঠিায় কাজ করছে বসেরকারি সংস্থা মানব কল্যাণ পরষিদ। তারই একটি প্রকল্প সএিসওএসডজি’ির সদস্য রনতিা। রনতিা বভিন্নি প্রশক্ষিণ, দলীয় সভা, সংলাপসহ বভিন্নি র্কাযক্রমে অংশগ্রহণ করে চন্তিার জগতে বড় ধরনরে পরর্বিতন এনছে।ে তার সংগ্রামরে গতকিে বভিন্নিভাবে অনুপ্ররেণা জুগয়িছেে মানব কল্যাণ পরষিদ বলে মনে করনে সংস্থাটরি প্রজক্টে অফসিার পারভনি। তনিি বলনে, রনতিা নারী শ্রমকিদরে মজুরি আদায়ে এখন অনকেরে কাছে দৃষ্টান্ত। যা আগামীতে নারী অধকিার আদায়ে অনুপ্ররেণা হসিবেে কাজ করব।ে

নৌকার বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন সাংসদ, কমিশনে লিখিত অভিযোগ!
ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা