আজ: বৃহস্পতিবার ৭ই চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২১শে মার্চ ২০১৯ ইং, ১৩ই রজব ১৪৪০ হিজরী

সংসদ সদস্যরা তখনো ‘নো, নো’, ‘না, না’ বলে উঠেন

বৃহস্পতিবার, ০৩/০১/২০১৯ @ ১:৪২ অপরাহ্ণ । জাতীয় দিনের সেরা রাজনীতি

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের পর এটাকেই শেষ বলেছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে দলের সংসদ সদস্যরা আবার এই বিষয়টি মানতে চাননি। তারা সমস্বরে ‘না’ বলে আওয়াজ তোলেন।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে শপথের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা হয়। সেখানেই এসব কথা হয়।
১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে যায়। ৭৬টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর দলের তিনিই হন সংসদীয় দলের নেতা। এরপর ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালের ধারাবাহিকতায় এবারও শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

সভার শুরুতে সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ঝালকাঠি-২ আসন থেকে নির্বাচিত আমির হোসেন আমু ওই প্রস্তাবে সমর্থন করেন।

সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে এটাই যেন শেষ হয়।’
এ সময় সংসদ সদস্যরা সমস্বরে ‘নো, নো’, ‘না, না’ বলে ওঠেন। একজন সংসদ সদস্যরা বলেন, ‘আপনি যতদিন, আপনিই আমাদের সংসদীয় দলের নেতা, দলের নেতা, বাংলাদেশের নেতা এবং আমাদের অভিভাবক আপনি।’

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সাল থেকেই টানা সামলাচ্ছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। এর মধ্যে ১৫ বছর তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ১২ বছর ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শেষে এসে ক্লান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবসরের কথা বলছেন।

২০১৬ সালের অক্টোবরে দলের জাতীয় সম্মেলনের আগে একাধিকবার দলের সভাপতির পদে না রাখতে কাউন্সিলরদের প্রতি আহ্বান জানান। তবে জাতীয় সম্মেলনে বরাবরের মতো অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শেখ হাসিনা। তাকে ছাড়তে নারাজ ছিলেন নেতারা।

সবশেষ গত ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনাতেও আগামী জাতীয় সম্মেলনে অন্য কাউকে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করতে বলেছেন শেখ হাসিনা। তবে সেদিনও নেতা-কর্মীরা সমস্বরে ‘না’ আওয়াজ তুলেন।

 

পুন:নির্বাচনের দাবিতে ইসিতে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট
একাদশ সংসদের এমপিদের গেজেট প্রকাশ