আজ: বুধবার ৮ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ইং, ১৪ই জমাদিউস-সানি ১৪৪০ হিজরী

পুন:নির্বাচনের দাবিতে ইসিতে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট

বৃহস্পতিবার, ০৩/০১/২০১৯ @ ১:৪৬ অপরাহ্ণ । জাতীয় দিনের সেরা প্রধান খবর রাজনীতি শীর্ষ খবর

নিউজ ডেস্ক: সদ্য অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুন:নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কার্যালয়ে গেছেন বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল।

মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, কাদের সিদ্দিকী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, মাহমুদুর রহমান মান্না, আ স ম আব্দুর রব ও সুব্রত চৌধুরী।

এর আগে ঐ্ক্যফ্রন্টের সব প্রার্থীদের ইসিতে যাওয়ার কথা থাকলেও আজ বৈঠকে একটি প্রতিনিধি দল যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও নির্বাচনের প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম-মহাসচিব ইকবাল সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কমিশন এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে নির্বাচনে যেসব অনিয়ম হয়েছে তার তথ্য উপাত্ত নিয়ে সারাদেশের ধানের শীষের প্রার্থীদের ঢাকায় জরুরি তলব করে বিএনপি। কথা ছিল সবাইকে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেয়ার।

এমনকি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আগের দিন বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার কাছে চিঠি দেয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠক থেকে বের হয়ে নেত্রকোনা-১ আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল জানিয়েছেন, কারচুপির অভিযোগে তারা নির্বাচনী ট্রাইবুনালে মামলা করবেন।

ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ফ্রন্টের সিনিয়র নেতারা সিদ্ধান্ত নেবেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুর রহমান, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানি উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বৈঠকে ১৭৪ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এর মধ্যে বিজয়ী  পাঁচজন প্রার্থীও  উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকিরা হলেন হারুনুর রশীদ. আমিনুল ইসলাম, মোশারররফ হোসেন ও জাহিদুর রহমান।

প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধরী, শাহজাহান ওমর, মিজানুর রহমান মিনু, আমিনুল হক, আবদুস সালাম, শাহজাহান মিয়া, ভিপি জয়নাল আবেদীন, হারুনুর রশীদ, আসাদুল হাবিব দুলু, আনোয়ারুল আজীম, শামা ওবায়েদ, জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, গৌতম চক্রবর্তী, আলমগীর কবির, দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, নাজিম উদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সুলতান মাহমুদ বাবু, রফিকুল ইসলাম হিলালী, শরীফুল আলম, জালাল উদ্দিন,  আজিজুল বারী হেলাল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জিএম সিরাজ, সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জহিরউদ্দিন স্বপন, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, অনিন্দ ইসলাম অমিত, জাহিদুর রহমান, মাসুদ অরুন, সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকী, নবী উল্লাহ নবী, মোরশেদ মিল্টন, পারভেজ আরেফীন সিদ্দিকী, রুমানা মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম আলিম, সেলিম রেজা হাবিব, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমি, সৈয়দ ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, জি কে গউস, আবু তাদের তালকুদার, কায়সার কামাল, আনোয়ারুল হক, তাহসিনা রুশদির লুনা, লুতফর রহমান কাজল, মুন্সি রফিকুল আলম, খন্দকার মুক্তাদির, মোশাররফ হোসেন, শফি আহমেদ চৌধুরী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, শাহ রিয়াজুল ইসলাম, একরামুজ্জামান, আবু সুফিয়ান, মিল্টন বৌদ্ধ, আনিসুর রহমান খোকন, শাহ আবু জাফর, খোন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু, মো. মোশাররফ হোসেন, মো. আলী সরকার, তাজভীরুল ইসলাম, টিএস আইয়ুব, সাইফুর রহমান রানা, মো. হানিফ, আনোয়ারুল ইসলাম, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, এমদাদুল হক ভরসা, সাহাদাত হেসেন, মাসুদা মোমিন, সালমা আলম, রফিকুল ইসলাম, সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, সালাহ উদ্দিন সরকার, কাজী নাজমুল হোসেন, শাহ শহীদ সারোয়ার, আবদুল খালেক, মজিবুল হক, মো. ইউনুস, ফাহিম চৌধুরী, শামীম আরা বেগম, আহসান উল্লাহ হাসান, নসরুল হক সাবু, ওয়ারেস আলী মামুন, আজহারুল ইসলাম মান্নান, লায়ন হারুনুর রশীদ, আমিনুল ইসলাম, মনি স্বপন দেওয়ান, কনক চাঁপা, সাচিং প্রু, ফরহাদ হোসেন, আজাদ, ফজলুর রহমান, আবু ওহাব আখন্দ, মাহমুদুল হক রুবেল  প্রমখ।

এছাড়াও জিএসডির আসম আবদুর রব, আবদুল মালেক রতন, শহীদউদ্দিন মাহমুদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, গণফোরামে সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, আমসা আমিন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে ৭টি  (বিএনপি ৫টি এবং গণফোরাম ২টি) আসন।

 

ঐক্যফ্রন্টের যেসব নেতারা শপথ নেননি
সংসদ সদস্যরা তখনো ‘নো, নো’, ‘না, না’ বলে উঠেন