আজ: শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৭ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনায় এদেশ বাকশাল থেকে মুক্তি পেয়েছে
উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে বক্তাগণ

বৃহস্পতিবার, ০৮/১১/২০১৮ @ ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ । চট্টগ্রাম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র সূচনা করেছিলেন। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের উন্নয়নের মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি বাংলাদেশে জনপ্রিয় সর্ববৃহৎ দল। তাই বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য জিয়া পরিবারকে একটি স্বার্থন্বেষী মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাকশাল থেকে বাংলাদেশ মুক্তি পাবে। যে রকম মুক্তি পেয়েছিল শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুচনায় স্বাধীনতা পরবর্তীতে এক নায়কতন্ত্রের বাকশাল। ৭ নভেম্বর বুধবার সকাল ১১ টার সময় ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এম এ হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ছালাহউদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন, এড. আবু তাহের, আলহাজ্ব সেকান্দর চৌধুরী, মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ সেলিম চেয়ারম্যান, সৈয়দ মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, আতিকুল ইসলাম লতিফী, মুহাম্মদ আবু ছিদ্দিক, মোঃ ফজল বারেক, নগর মহিলা দলের সভানেত্রী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, মোঃ জাকির হোসেন, এস.এম. ফারুক, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, মোঃ জহিরুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন কামরুল, এস.এম আজিজ উল্লাহ, হারুন উর রশিদ, আনিস আকতার টিটু, মোজাহিদ রুবেল, মোঃ হেলাল উদ্দিন, কাজী শাহাদাত, মোঃ জাসেদ খান, সাইমন হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে এম এ হালিম বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিএনপিকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে এদেশে শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং ১৯ দফা কর্মসূচীকে বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ। প্রশাসন যন্ত্রকে ব্যবহার করে কোন শ্বৈরশাসক কোন দেশেই দীর্ঘদিন ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখতে পারে নাই, বর্তমান অবৈধ সরকারও শেষ পর্যন্ত সফল হবে না। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক শক্তিকে ভয়পায় বলেই মিথ্যা মামলার সাজা দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন এবং নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিপ্লব উদ্যানে স্বাধীনতাস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঝাপিয়ে পড়তে হবে
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্পর্ধিত যৌবনের দৃপ্ত অহংকার