আজ: বুধবার ৩০শে কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৫ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্পর্ধিত যৌবনের দৃপ্ত অহংকার
বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মতবিনিময় সভায় বক্তারা

বুধবার, ০৭/১১/২০১৮ @ ৫:২৮ অপরাহ্ণ । চট্টগ্রাম

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ চট্টগ্রামের উদ্যোগে ১ ডিসেম্বর হতে এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম চত্বরে আগামী অনুষ্ঠিতব্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান, মুক্তিযুদ্ধের চলচিত্র ও প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, বই মেলা এবং আউটার স্টেডিয়ামে ১ ডিসেম্বর হতে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য পণ্যমেলা সফল করার লক্ষ্যে গত ৬ নভেম্বর বিকেল ৫টায় এম.এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়ামের সামনে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ কার্যালয়ে পরিষদের কর্মকতাদের সাথে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কার্যকরী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, বীর বাঙালির অহংকার’ স্লোগানে ধারণ করে চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনীতিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সংস্কতিসেবৗ পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের জনতার স্বতঃস্ফূত সহযোগে হৃদয় নিঙড়ানো চিন্তা-চেতনায় উজ্জ্বল প্রকাতোব যে দীপশিখাটি প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল তা কালক্রমে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। বক্তারা বলেন, এই বিজয় মেলা এখন বাঙালির শৌর্য-বীর্য প্রকাশের উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাসে বাঙালির জাতি সত্তার উত্তরোত্তর বিকাশের দিক নির্দেশনা দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং ঘৃনা ছড়ায়। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্পর্ধিত যৌবনের দৃপ্ত অহংকার। বক্তারা এবারের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিটি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ থাকবে বলে আশাবাদব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের পাঁচশতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অংশ গ্রহণ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী মনির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহা-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর আহমদ, কো-চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সাহাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সরওয়ার কামাল দুলু, মুক্তিযোদ্ধা এম.এন. ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, জননেতা এম.এ আজিজের সন্তান সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, জননেতা জহুর আহম্মদ চৌধুরীর সন্তান মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নওশাদ মাহমুদ চৌধুরী রানা, সায়রা বানু রুশ্নি, ইঞ্জিনিয়ার মশিউজ্জামান সিদ্দিকী পাভেল, সাহেদ মুরাদ সাকু, মিজানুর রহমান সজিব, কামরুল হুদা পাভেল, মো. আশরাফুল হক চৌধুরী, মেজবা উদ্দিন আজাদ হাসান, মো. আবদুল হান্নান, ফিরোজ আলম, আবদুল কাদের সবুজ, মো. ফয়সাল জামিল চৌধুরী সাকি, মো. সালা উদ্দিন, পুলক বড়–য়া, মোশাররফ হোসেন, রিপন চৌধুরী, গাজী জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, আবু মোহাম্মদ সায়েম চৌধুরী, বিবি গুল জান্নাত, শেখ ফরিদ মিঠু, ইফতেখার সাইদ সরকার সায়মন, রাকিব হোসেন খান রিপন, নাসরিন সরওয়ার কুমকুম, মাসুদ করিম, কাওসার বাবুল, হারুন অর রশিদ, সৈয়দ ওমর আলী, জয়নুদ্দিন জয়, সাহাব উদ্দিন ফাহিম, আলী সরওয়ার মঞ্জু, নয়ন তারা, মিস লিমা, নাছিমা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, জোবায়ের ইসলাম, রাকিব হাসান, মজিবুল হক, নাঈমুল হাসান লিংকন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনায় এদেশ বাকশাল থেকে মুক্তি পেয়েছে
অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিতে নৌকায় ভোট দিন