আজ: বুধবার ৩০শে কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৫ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

জলবায়ু অভিযোজনে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল: বান কি মুন

বৃহস্পতিবার, ১৮/১০/২০১৮ @ ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ । জাতীয় দিনের সেরা শীর্ষ খবর শুভ সংবাদ

নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক জলবায়ু অভিযোজনে বাংলাদেশের জোরালো ও উদ্ভাবনী ভূমিকার জন্য জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

বান কি মুন বলেন, বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হয়েও সাহসী ও দূরদর্শী পদক্ষেপের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় নানাবিধ দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে সারা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের ৮ম মহাসচিব বান কি মুন নেদারল্যান্ডসে গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশনের (জিসিএ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেছেন। ঢাকায় বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

জলবায়ু অভিযোজনে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিশ্চিত এবং এর সমস্যা সমাধানে জিসিএ একটি নতুন উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, কোস্টারিকা, মার্শাল আইল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট, চীনের প্রধানমন্ত্রী, জার্মান চ্যান্সেলর এবং নেদারল্যান্ডস, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ইথিওপিয়া কো-কনভেনর এবং গ্রানাডার প্রধানমন্ত্রী জিসিএ’র কনভেনর।

জিসিএ’র কো-কনভেনর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ওই অনুষ্ঠানে যোগদানকারী পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, কেবলমাত্র আলোচনাতে এ পরিবেশ ও জলবায়ু সমস্যার সমাধান হবে না।

এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অর্থায়ন প্রয়োজন। তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থায়ন খুবই দুষ্কর। ফলে উন্নত দেশগুলোকে এ ক্ষেত্রে অর্থায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন আন্তঃদেশীয় সমস্যা। হিমালয়ের বরফ গলার মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, হিমালয় বেসিন উপযোগী যথাযথ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুত উদ্বোধনী বক্তৃতায় জলবায়ু অভিযোজনে বাংলাদেশের সাফল্য এবং চ্যালেঞ্জের প্রতি আলোকপাত করেন। জিসিএ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও বার্তা দেখানো হয়, যেখানে তিনি জলবায়ু অভিযোজনে বাংলাদেশের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দৃষ্টান্তমূলক ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তা ও অগ্রগতি সম্ভব করবে।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১০ লাখের ওপর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদানের বিষয় তুলে ধরে তাদের বাসস্থান এবং আহারের ব্যবস্থা করতে কিভাবে বাংলাদেশের পরিবেশের ওপর এর অভিঘাত হচ্ছে তা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়াকে একটি পরিবেশবান্ধব এলাকা হিসেবে দেখতে চায় এবং এ ক্ষেত্রে করণীয় সবকিছুতে বাংলাদেশ রোল মডেলের ভূমিকায় থাকবে।

কূটনীতিকদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক আজ
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৮ নভেম্বর