আজ: বুধবার ৩০শে কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৫ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

কাঁচা আমের ১২ গুণ

বৃহস্পতিবার, ২৪/০৫/২০১৮ @ ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ । লাইফস্টাইল

নিউজ ডেস্ক: পাকা আমের মতোই জনপ্রিয় কাঁচা আম। খাওয়ার পদ্ধতি একটু ভিন্ন, এই যা। ভর্তা বা আচার বানিয়ে খাওয়ার রীতি তো আর নতুন নয়।

কেবল মুখে রোচে তা নয়, পুষ্টি বিশারদরা বলছেন, স্বাদ যেমন তেমন, এর উপকারিতাও নেহায়েত কম না। সে সম্পর্কে জানব আজ:

১. কাঁচা আম উচ্চ তাপমাত্রার নেতিবাচক প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করে।

২. গ্রীষ্মকালে কাঁচা আমের জুস অত্যধিক ঘাম এর কারণে সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং লোহার অত্যধিক ক্ষতি রোধ করে।

৩. শুকনো আম পাউডারকে বলা হয় ‘আমচুর’। এটি ভিটামিন ‘সি’র অভাবে হওয়া স্কার্ভি চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।

৪. কাঁচা আম পেক্টিন (pectin) একটি সমৃদ্ধশালী উৎস, মধু এবং লবণ দিয়ে মিশিয়ে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী। এটি গ্রীষ্মকালীন ডায়রিয়া, আমাশয়, পাইলস, দীর্ঘস্থায়ী এঁড়ে, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ হিসেবে খুব কার্যকর হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

৫. কাঁচা আম এর উচ্চ ভিটামিন ‘সি’ রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কোষ গঠনে সাহায্য করে। এটা যক্ষা, রস্বল্পতা, কলেরা এবং অতিসার রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৬. কাঁচা আমের সঙ্গে চিনি, জিরা এবং চিমটি লবণ, মিশিয়ে সেদ্ধ করে জুস করে খেলে ঘামাচি রোধ করতে সাহায্য করে, এবং গ্রীষ্মকালে স্ট্রোকের ঝুঁকি হতে রক্ষা করে।

৭. এটা যকৃত রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে, পিত্ত অ্যাসিড কমায় এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে লিভারকে রক্ষা করে।

এটা পিত্ত অ্যাসিড ‘লুকাইয়া’ বৃদ্ধি ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ আঁত পরিষ্কার হিসেবে যকৃতের রোগ চিকিৎসায় সাহায্য করে।

৮. কাঁচা আমে পাকা আমের তুলনায় অধিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ‘সি’ আছে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শরীরকে রক্ষা করে।

৯. এটা মর্নিং সিকনেস চিকিৎসার সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

১০. কাঁচা আম ভিটামিন ‘সি’ এর সমৃদ্ধ উৎস এবং এটি মনোবল উন্নত করে ও রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে।

১১. পাকা আম রক্ত পরিষ্কার করে আমের টারটারিক, ম্যালিক, সাইট্রিক এসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১২. আমের ভেষজ গুণ স্কিন ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময় করে।

ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়াতে অ্যালোভেরার ব্যবহার
রমজানের প্রস্তুতি ও সুস্থতায় করণীয়