আজ: বুধবার ৩০শে কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৫ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

সাংবাদিকতা নিয়ে…

রবিবার, ১১/০৩/২০১৮ @ ২:৩৮ অপরাহ্ণ । ফেসবুক সংকলন

Qazi Homayun Kabir

এক সময় প্রিন্ট মিডিয়ায় কাজ করতাম। নিজের লেখা সংবাদটি প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করতাম পরবর্তী দিনের সকাল পর্যন্ত। ডিজিটাল যুগ বদলে দিল সেই অপেক্ষা। এলো অনলাইন পোর্টাল, সারা বিশ্বের মুহুর্তের খবর মুহুর্তে পাচ্ছি। যুগের এই সুন্দর গতিময়তাকে স্বাগত না জানিয়ে পারলামনা। তাই প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে সাধুবাদ জানিয়ে যুক্ত হলাম প্রযুক্তির যুগান্তকারী প্রচার মাধ্যম অনলাইন মিডিয়ায়। প্রথম সারির সুনামধন্য প্রিন্ট মিডিয়ার প্রত্রিকাগুলো এই অনলাইন মিডিয়াকে শুরুতে অন্যচোখে দেখলেও
পরবর্তীতে সময়ের দাবীর গুরুত্ব অনুধাবন করে তারাও প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি অবিকল নামেই অনলাইন পোর্টাল শুরু করল। ফলে মূহুর্তের খবর মূহুর্তে প্রকাশ করে দেশের আপাময় জনগণের কাছে খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তা পেল অনলাইন গণমাধ্যম।
কিন্তু দুঃখ হল প্রিন্ট মিডিয়ার কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক ভাইয়েরা ডিজিটাল যুগের প্রযুক্তিগত অন্যান্য সকল সুবিধা নিতে কার্পন্য না করলেও অনলাইন পোর্টাল বা অনলাইন পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিকদের সাংবাদিক হিসাবে মেনে নিতে দ্বিধা করেন। কোন অনুষ্ঠান বা সভা-সেমিনারে অনলাইন মিডিয়া বা প্রচার সংখ্যায় কম এমন নিবন্ধিত প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাপোর্ট করতে চাননা। যুগের বর্তমান দাবীকে বুঝেও তারা পুরানা পদ্ধতির অহং দিয়ে দুরে রাখতে চান জুনিয়র সাংবাদিকদের।
অনেক অনলাইন সাংবাদিক বন্ধুরা দুঃখ করে বলতে শুনেছি, প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক ভাইয়েরা বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা সভা-সেমিনারে অনলাইন সাংবাদিকদের ছোট করে দেখেন বা হেয়ালী করেন বা অনেক সময় সাংবাদিকদের নির্দিষ্ট আসনগুলোতে বসারও সুযোগ দিতে চাননা।
আবার সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের কয়েক সিনিয়র সংগঠন, প্রিন্ট মিডিয়া বা অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত নতুনদেরকে তাদের সংগঠনে সদস্য হতে আগ্রহীদের সদস্য করতে বা সুযোগ দিতে চাননা ফলে বঞ্চিতরা মনের দুঃখ নিয়ে সংগঠিত হয়ে নতুন কোন সংগঠন করার ঝুকি নেন।দেখা যায়, সিনিয়র সংগঠনের সংগঠকরা বঞ্চিত সাংবাদিকদের করা এই সংগঠনকেও মেনে নিতে চাননা। এ নিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ভাইয়েরা নিরব প্রতিবাদে থাকেন বা মুডে থাকেন, তেমনি জুনিয়র সাংবাদিকরা নিরব কষ্ট নিয়ে ক্ষোভে থাকেন। এর থেকে উত্তরণের পথ কি খুব কঠিন?
সিনিয়র সাংবাদিকরা যদি মনে করেন দ্বিতীয়, তৃতীয় সারীর পত্রিকার সাংবাদিক বা অনলাইন সাংবাদিকরা সিনিয়রদের মতো নিউজ সংগ্রহের উপযুক্ত হয়নি, তবে সিনিয়ররা নতুনদের উপদেশ দিতে পারেন। উদার হয়ে এসব পত্রিকার সাংবাদিকদের কাছে রেখে উপদেশ দিয়ে তাদের পরবর্তী যুগের সাপোর্ট রাখতে পারে। সাংবাদিকদের একটা ঐক্য সৃষ্টি হবে।আন্দোলনে অধিকারে এক থাকবে। সভা-সমাবেশে সিনিয়র জুনিয়রের আসনের হিসাবটা নিয়ে বাক বিতন্ডা হবেনা। মানবতা আর ঐক্যই হউক আমাদের সবার লক্ষ্য।

ধর্মীয় নির্দেশনা ও আমাদের চালচিত্র
ছেলেরা চোখ টিপলে ইভ টিজিং, মেয়েরা চোখ টিপলে প্রেম!