আজ: রবিবার ২রা পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ৮ই রবিউস-সানি ১৪৪০ হিজরী

মেননের প্রিয় ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান

শুক্রবার, ২২/০৪/২০১৬ @ ১১:১২ পূর্বাহ্ণ । জাতীয়

 নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘সন্দেহ নেই, শফিক রেহমান আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব। কিন্তু তার সম্পর্কে পত্র-পত্রিকায় যে সব খবর দেখছি সেগুলো যদি সত্যি হয় তাহলে আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পরতে হয়।’
শুক্রবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি।
অনুষ্ঠানে মেনন বলেন, ‘দেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সহনশীলতার কিছুটা অভাব আছে। গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য যেটা প্রয়োজন, তা হচ্ছে গণতান্ত্রিক আচরণ। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি-জামায়াত সেই আচরণ করছে না। তাদের মধ্যে কোনো আচরণই নাই।’
বর্তমান জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির আচরণ বিষয়ে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসার উত্তরে তিনি বলেন, ‘যেহেতু জাতীয় পার্টি সরকারের সঙ্গে আছে, তাই তাদের সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা আমার সমীচীন হবে না।’
রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্তমান সরকারের সফলতা-ব্যর্থতার প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ নিলেও দুর্নীতি দূর করা এখনও সম্ভব হয়নি। দুর্নীতি পুরোপুরি দূর করতে পারলে প্রবৃদ্ধি আরও বেড়ে যেতো এবং দেশ আরও এগিয়ে যেতো।’
মেনন বলেন, ‘এ সরকারের আমলে ব্যাংকগুলোতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিভার্জ থেকে চুরির টাকা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। কিছু টাকা পাওয়ার আশ্বাসও ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে।’
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে সেটি আগেই নেয়ার দরকার ছিল, তাহলে আর ওই ঘটনাগুলো (সংঘর্ষ) ঘটনা তা। আমি মনে করি, নির্বাচন কমিশন যথা সময়ে যথোপোযুক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি।’
সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মেনন বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আমরা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক যাত্রা পথে ফিরে আসতে পেরেছি। সংবিধানের চার মূলনীতি ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। যদিও কিছু অসঙ্গতি আছে, যেমন- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রয়ে গেছে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘জঙ্গি তৎপরতার কিছু ঘটনা ঘটলেও দেশে জঙ্গিবাদ পূর্বের মত সংগঠিত নয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতাকে যে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হতো, তা দূর হয়েছে।’
বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘এ খাতের উন্নয়নে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে পর্যটনখাতে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দেশে পর্যটক আকৃষ্ট করতে আগামী মাস থেকে দেশে ও দেশের বাইরে প্রচারণা শুরু হচ্ছে।’
মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জামাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদসহ ইউনিটির অন্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

রিজার্ভ চুরি : মামলা নয়, টাকা আসবে আইনি প্রক্রিয়ায়
আরেকটি বিরল রোগের সন্ধান