আজ: মঙ্গলবার ১লা শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জুলাই ২০১৯ ইং, ১২ই জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী

এসএসসিতে পাসের হার ৮২.২

সোমবার, ০৬/০৫/২০১৯ @ ৭:০৯ অপরাহ্ণ । জাতীয় দিনের সেরা শিক্ষাঙ্গন শীর্ষ খবর

নিউজ ডেস্ক: এসএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা। সার্বিক ফলাফলে পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির  হার। কমেছে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠান। শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে অবস্থান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও টেলিফোনে যুক্ত হয়ে পাস করা শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

এবার ৮টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (১০টি বোর্ডের) পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এবার পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে  এক লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবার এই সংখ্যা ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

প্রতি বছর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়ার পর দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী বিদেশ অবস্থান করায় সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করে অনুষ্ঠানে শোনান শিক্ষামন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এবার ১০টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। গতবার পাস করেছিল ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ জন। গত বছর অংশগ্রহণ করেছিল ২০ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৪ জন। এবার শতকরা পাসের হার ৮২ দশমিক ২০। গতবার ছিল পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ ভাগ।

এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবার  ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। গত বছরের চেয়ে জিপিএ-৫ কমেছে পাঁচ হাজার ৩৫ জন। গত বছরের চেয়ে পাসের হার বাড়ার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পাসের হার বাড়ার কৃতিত্ব আমাদের নয়। এটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। যারা ভাল করেছেন তারা বেশি প্রস্তুতি নিয়েছে। গণিতের কারণে ঢাকা ও সিলেট বোর্ডের পাসের হার কমেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, গত বছরের তুলনায় এবছরেও ফলের সূচকে ইতিবাচক লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। এর পেছনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যেমন-বিনামূল্যে সঠিক সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তুক পৌঁছে দেয়া, টেলিভিশনে দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান প্রচার, শিক্ষার উপকরণ হিসেবে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং নকল বিরোধী ব্যাপক প্রচারণা। কয়েকটি বোর্ডে পাসের হার বেশি হওয়ার কারণ নিয়ে তিনি বলেন, কোথাও যখন কেউ এগিয়ে যাচ্ছে সেটা আমাদের শেখার আছে। ধারাবাহিকভাবে একটি বোর্ড ভালো করলে নিশ্চয়ই ভালো কিছু করছে। এই পরিসংখ্যান থেকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।

আইসিটি শিক্ষায় পাসের হার কম নিয়ে দীপু মনি বলেন, আইসিটির শিক্ষক এখনও অপ্রতুল। আমরা শিক্ষক বাড়ানো ও প্রশিক্ষণ দেয়ার চেষ্টা করছি। কারিকুলাম রিভিউ করার ক্ষেত্রে আইসিটি শিক্ষাকেও আরও বেশি দক্ষ করে তুলতে পারি সে বিষয়ে বিশেষভাবে মনোযোগ দিচ্ছি।

আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীন এবার ১৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫২ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পাস করেছে ১৪ লাখ ৩ হাজার ১৫৭ জন। গতবার অংশ গ্রহণ করেছিল ১৬ লাখ ২৪ হাজার ৪২৩ জন। এবার আটটি সাধারণ বোর্ডের পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ ভাগ। গতবছর ছিল ৭৯ দশমিক ৪০ ভাগ। গত বছরের চেয়ে পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৪০ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন। গতবার ছিল এক লাখ দুই হাজার ৮৪৫ জন। গত বছরের চেয়ে এবার ৮ হাজার ২৮৯  জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ কম পেয়েছে। এ বছর ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে ৭৯ দশমিক ৬২ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ৬৮৭ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮৬ দশমিক শূন্য ৭ ভাগ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ হাজার ৭৯৫ জন।  কুমিল্লা বোর্ডে ৮৭ দশমিক ১৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গতবছর ছিল ৮০ দশমিক ৪০ ভাগ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ হাজার ৭৬৪। যশোর বোর্ডে ৯০ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গতবছর ছিল ৭৬ দশমিক ৬৪ ভাগ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে নয় হাজার ৯৪৮ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ১১ ভাগ। গত বছর ছিল ৭৫ দশমিক ৫০ ভাগ। এরার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৩৯৩ জন। এবছর বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৪১ ভাগ। গতবার ছিল ৭৭ দশমিক ৭১ ভাগ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ জন। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৪২ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৫৭ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৬২ ভাগ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ২৩ জন।

বিভাগভিত্তিক আটটি সাধারণ বোর্ডে পাসের শীর্ষে বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৮৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৩২ ভাগ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। এ বিভাগে ৯১ হাজার ৩৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ব্যবসায় শাখা বিভাগে ২ হাজার ৮৭ জন ও মানবিক বিভাগের এক হাজার ৪৩৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ বছর ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা বেশি পাস করেছে। ১০টি বোর্ডে ছাত্রদের পাসের হার ৮১ দশমিক ১৩ ভাগ। আর ছাত্রীদের পাসের হার ৮৩ দশমিক ২৮ ভাগ। অর্থাৎ ছাত্রদের চেয়ে দুই দশমিক ১৫ শতাংশ ছাত্রী বেশি পাস করেছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও ছাত্রীরা এগিয়ে। ৫২ হাজার ১১০ জন ছাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর ৫৩ হাজার ৪৮৪ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ।  মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ পাস বেড়েছে। তবে উভয় বোর্ডে গতবারের চেয়ে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে। কারিগরি বোর্ডে এ বছর চার হাজার ৭৫১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর ছিল চার হাজার ৪১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ২৮৭ জন। গত বছর ছিল তিন হাজার ৩৭১ জন। বিদেশে আটটি কেন্দ্রে ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। এর মধ্যে ৩৮৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৬ ভাগ। জিপিএ-৫  পেয়েছে ৫৬ জন।

এ বছর সারা দেশে ২ হাজার ৫৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৫৭৪টি। গত বছরের চেয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করা এক হাজার ৯টি প্রতিষ্ঠান বেড়েছে। এ বছরও ১০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১০৯টি। গত বছরের চেয়ে শতভাগ ফেল করা ২টি প্রতিষ্ঠান কমেছে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি ওইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি  বলেন, কেন পাস করতে পারেনি তা খতিয়ে দেখা হবে। এরকম কেন হবে আমাদের ভাবার জন্য তথ্য সংগ্রহ  করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রীর ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী: এসএসসি ও সমান পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদেরকে শুভেচ্ছাসহ অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদেরকে মন খারাপ না করার এবং ভালোভাবে লেখাপড়া করে ফের প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গতকাল  ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর সেলফোনের মাধ্যমে বিদেশে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন। এসময় অকৃতকার্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তোমাদেরকে ধৈর্য ধরে, মনোযোগ সহকারে আবারও প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যারা অকৃতকার্য হয়েছো, তাদের  মন খারাপ করার কিছু নেই। আগামীতে তারা আবারও পরীক্ষা দিয়ে ভালো করতে পারবে। মন খারাপ না করে পড়াশোনা করবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই। একাগ্রতা, অধ্যবসায় এবং পরিশ্রম যেকোনও অসাধ্য সাধন করতে সহায়তা করতে পারে। তোমরা যারা যেকোনও কারণেই হোক উত্তীর্ণ হতে পারোনি, তোমাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এখন থেকে চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই তোমরা এ বাধা অতিক্রম করে ভালো ফল অর্জন করতে পারবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষা: ৭ই মে থেকে ১৩ই মে পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, টেলিটক প্রি পেইড মোবাইল দিয়ে ফল যাচাইয়ের আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে মোবাইলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে আরএসসি (জঝঈ) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে ফি দিতে হবে। ফিরতি এসএমএসে আবেদন ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে ম্যাসেজে গিয়ে আরএসসি (জঝঈ) লিখে স্পেস দিয়ে ইয়েস (ণঊঝ) লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে নিজ মোবাইল ফোন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেসব বিষয়ে দুটি পত্র (বাংলা ও ইংরেজি) রয়েছে সেসব বিষয়ে একটি বিষয় কোডের (বাংলার জন্য ১০১, ইংরেজির জন্য ১০৭) বিপরীতে দুটি পত্রের জন্য আবেদন হিসেবে গণ্য হবে এবং আবেদন ফি হিসেবে ২৫০ টাকা লাগবে। একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে কমা দিয়ে লিখতে হবে।

খোশ আমদেদ মাহে রজমান
রাঙ্গুনিয়ায় জিপিএ-৫ ও পাসের হার কমেছে
Download Best WordPress Themes Free Download
Download Premium WordPress Themes Free
Free Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
download udemy paid course for free
download lenevo firmware
Download WordPress Themes Free
udemy paid course free download