আজ: মঙ্গলবার ৮ই শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জুলাই ২০১৯ ইং, ১৯শে জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী

জয়পুরহাটের কালাই পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা, দুদককে তদন্তের নির্দেশ আদালতের

রবিবার, ৩০/০৬/২০১৯ @ ৬:২৯ অপরাহ্ণ । আইন-অপরাধ জনপদের খবর শীর্ষ খবর

পুলক সরকার, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার মেয়র ও কালাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হালিমুল আলম জনসহ পৌরসভার ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি কোটি  টাকা অর্থসাৎ, স্বজন প্রীতি, অনিয়ম ও দূর্নীতির মামলা হয়েছে।
রোববার বিকেলে কালাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে জয়পুরহাট ষ্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
ওই আদালতের বিচারক এম এ রব হাওলাদার মামলাটি আমলে নিয়ে বগুড়া দূর্নীতি দমন কমিশনে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে আগামী ৫ আগষ্ট মামলার শুনানীর দিন ধার্য্য করেন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০১৬ থেকে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকে কালাই পৌর মেয়র হালিমুল আলম জন পৌর প্রকৌশলী মোস্তাকের রহমান, কার্য সহকারী হেলাল উদ্দিন ও লাইসেন্স পরিদর্শক মোস্তা হাসানের সাথে যোগসাজোশে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ছাড়াও অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ মামলার বাদী দূর্নীতির মোট ১৮টি খাত উল্লেখ করে জানান যে, উল্লেখিত ৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজোশে পৌর মেয়র গত বছরগুলোর তুলনায় কম অর্থের বিনিময়ে হাট-বাজার ইজারা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা, রেজুলেশন ছাড়াই রাজস্ব তহবিল থেকে ৫১ লাখ টাকা, উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় থেকে ছাড়কৃত ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা,  কবরস্থান ও শ্মসান ঘাট উন্নয়নের ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা, মাষ্টার রোলের নামে প্রতি মাসে ১ লাখ ২১ হাজার টাকা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড ইজারা থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা, পরিবহন মেরামত খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা, ট্রেড লাইসেন্স ও হোল্ডিং খাত থেকে  প্রায় ৪ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ খাত থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা, সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৬২ লাখ  টাকাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার ঘাপলা বা আত্মাৎ করেছেন বলে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া পৌর মেয়র নির্বাচন কালীন তার হলফ নামায় ৫৫ হাজার টাকার তহবিল থাকার কথা জানালেও বর্তমানে তিনি দেড় কোটি ব্যায়ে বাড়ি নির্মান করেন, ২৭ লাখ টাকার গাড়ি ক্রয় করেন ও নিজ নামে ৬০ লাখ টাকার জমি ক্রয় করে পৌর অডিটরিয়ামের নামে দান করেন।  অর্থ আত্মসাত ছাড়াও  নিজ নাতী ও ভাগ্নে ভাতিজাকে দিয়ে পৌর সভার অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
জয়পুরহাট জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডঃ নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল এ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

বিচারাধীন মামলা ৩৫ লাখ ৮২ হাজার
জয়পুরহাটে চুরির অপবাদ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা
Download WordPress Themes
Premium WordPress Themes Download
Download WordPress Themes
Free Download WordPress Themes
lynda course free download
download redmi firmware
Download WordPress Themes
ZG93bmxvYWQgbHluZGEgY291cnNlIGZyZWU=

সর্বশেষ ১০ খবর